সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গুলশানে একটি বাসা থেকে কলেজ ছাত্রী মোসারাত জাহান ওরফে মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে তার আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে। তাকে বিদেশে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। আনভীর আগাম জামিনের আবেদন জানালেও তার শুনানি হয়নি। মুনিয়ার মৃত্যু-হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন পর্যায় থেকে।

তার মৃত্যু নিয়ে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। মুনিয়ার লেখা কয়েকটি ডায়েরি উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, এ ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মুনিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে রেডিও তেহরানকে বিশেষ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন-বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালমা আক্তার।

তিনি বলেন, মর্মান্তিক এ ঘটনার একটি বড় কারণ সামাজিক বিচ্ছিন্নতা। সামাজিক সম্পর্ক পরিবর্তিত হয়েছে। পারস্পরিক সম্পর্কে নির্ভরতার বদলে পারস্পরিক বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়েছে। আমরা এখন কেউ কাউকে জানি না। কেন সামাজিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে তার কারণ আমাদেরকে খুঁজে বের করতে হবে।

  • বিশিষ্ট এ সমাজবিজ্ঞানী এ ধরনের ঘটনার জন্য বিচারহীনতাকে দায়ী করেছেন।

সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ, উপস্থাপনা ও তৈরি করেছেন গাজী আবদুর রশীদ।

রেডিও তেহরান: অধ্যাপক সালমা আক্তার রেডিও তেহরানে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।

সালমা আক্তার: আপনাকে ধন্যবাদ।

রেডিও তেহরান:  অধ্যাপক সালমা আক্তার, আপনি জানেন যে সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে কলেজ পড়ুয়া এক তরুনীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভির জড়িত বলে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। তাকে বিদেশে যেতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। তিনিও আগাম জামিনের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন কিন্তু তার শুনানি হয় নি। মেয়েটির মৃত্যু নিয়ে রহস্য আছে। তো প্রশ্ন হচ্ছে- এই যে ধনাঢ্য ব্যক্তির এই নিকৃষ্ট কাজ, এটা কি সমাজের মারাত্মক অবক্ষয়ের একটি চিত্র বলে মনে হয়?

অধ্যাপক সালমা আক্তার: দেখুন, এই ঘটনাটি সামনে এসেছে বলে আমার জানতে পেরেছি। তবে এরকম ঘটনা নিশ্চয়ই অনেক ঘটছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এধরনের আলোচনাগুলো দেখছিলাম। অনেকেই বলছেন, এরকম ঘটনা অনেক ঘটছে। শুধু গুলশানের এই ঘটনা সামনে এসেছে বলে আমরা জানতে পারলাম। আমার কাছে মনে হয় একটি বড় বিষয় হচ্ছে আমাদের প্রচুর সামাজিক বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। আগে যখন আমরা একটা সামাজিক পরিমন্ডলে থাকতাম তখন আমাদের প্রতিবেশী যারা থাকতেন তাদের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে যাতায়াত করেছি। যোগাযোগ করেছি। তারা কারা, তাদের ব্যক্তিগত এবং সামাজিক জীবনবোধ কেমন সেগুলো আমরা জেনেছি।পরস্পরের পাশে থেকেছি। কিন্তু এখন আমরা শহুরে জীবন অনেকটা বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন করছি। গুলশানের ঘটনায় যে মেয়েটির মৃতদেহ পাওয়া গেল দেখলাম- তরুণী একটি মেয়ে। ১৭ কিংবা ১৮ বছর তার বয়স। মেয়েটি একা একা একটি ফ্লাটে ছিল। কিভাবে? তাছাড়া যার সাথে একটি সম্পর্ক নিয়ে কথা বলা হচ্ছে তারসাথে কিভাবে পরিচয় বা সম্পর্ক সেটাও আমরা জানি না। সমস্ত বিষয়ের একটি বড় কারণ হচ্ছে আমাদের সামাজিক কাঠামোটা পরিবর্তিত হয়ে গেছে, সামাজিক সম্পর্কটাও পরিবর্তিত হয়ে গেছে। সেখানে পারস্পরিক নির্ভরতার বদলে প্রচুর পারস্পরিক বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হয়েছে।

তে এই ধরনের একটি ঘটনা যখন ঘটে ঠিক সেই সময়টাতে আমরা অনেক আলোচনায় নিয়ে আসি তারপর কিন্তু আর এ বিষয়গুলো নিয়ে ভাবি না।

এ ধরনের ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে হবে

যেসব কারণে এধরনের ঘটনা ঘটছে আমাদেরকে সেই কারণগুলো খুঁজে বের করতে হবে। এখানে আমি শুধু দুজন ব্যক্তিকে আনতে চাই না। আমি সামাজিক সমস্যাটাকে আনতে চাই। এধরনের ঘটনা কেন ঘটছে? কেন সামাজিক সম্পর্কগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে? আমরা এটা হয়তো প্রিভেন্ট করতে পারতাম যদি আগে থেকে ঘটনাটা জানা যেত অথবা কি বিষয়ের সাথে জড়িত সেটা জানা যেত। তবে আমার মনে হয় যে এই ঘটনা অবশ্যই আমাদের মধ্যে একধরনের মানসিক চাপ তৈরি করবে যে আমাদের সামাজিক সম্পর্কগুলো অনেক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে।

রেডিও তেহরান:  জ্বি অধ্যাপক সালমা আক্তার, আপনি বলছিলেন, আমাদের সামাজিক সম্পর্কগুলো পিছিয়ে দিচ্ছে। এমন ঘটনা আরো ঘটছে যা সামনে আসছে না। তো গুলশানের ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে চাইব, এরইমধ্যে আনভীরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। কিন্তু অনেকে বলছেন কোন না কোনভাবে আনভীর পার পেয়ে যাবেন কারণ তিনি ধনাঢ্য ব্যক্তি। এই যে ধারণা, একজন সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে এ সম্পর্কে আপনার পর্যবেক্ষণ কি?

অধ্যাপক সালমা আক্তার: দেখুন, আমি বলব যে, শুধুমাত্র বিত্তশালীরাই পার পেয়ে যাচ্ছেন এ ধরনের ঘটনায় শুধু তাই নয়;গত কয়েকবছর ধরে আমাদের দেশে নারী নির্যাতনের যতগুলো ঘটনা ঘটেছে সেখানে হাতে গুণে বলা যায় দু একটি ঘটনা ছাড়া কোনোটারই বিচার হয় নি সেভাবে। ভিকটিম এবং যারা জড়িত ছিলেন কোনো ক্রাইমের সাথে তাদের সামাজিক প্রেক্ষাপট যাই হোক না কেন বিত্তশালীদের বিচার প্রক্রিয়ার আনার বিষয়টি আছে কি না সেভাবে! আরেকটি বিষয় হচ্ছে সবকিছু মিলিয়ে আদৌ আমরা একটি বিচারহীনতার সংস্কৃতির মধ্যে যাচ্ছি কি না?

আরেকটা বিষয় হচ্ছে কোনো বড় ধরনের ক্রাইম হলেও ঘটনার কিছুদিন পর থেকে আমরা বিষয়টি ব্যাক্তিগত ক্রাইম হিসেবে দেখতে শুরু করি। যে পরিবারগুলো ঐসব ঘটনার সাথে জড়িত থাকে তারাই দীর্ঘদিন বিচার প্রাপ্তির আশায় ঘুরতে থাকে। কিন্তু খুব দীর্ঘসূত্রিতার কারণে তারাও একসময় হতাশ হয়ে যায়। সেই মামলার পেছনে আর তেমন কন্টিনিউ করতে পারে না।

তো আমার মনে হয়, এ ধরনের ঘটনা শুধু যে বিত্তশালীদের ক্ষেত্রেই ঘটছে তা না। আমাদের দেশেই ওভারঅল একটা বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। যারা এসব বিষয় নিয়ে কাজ করেন তাদের অনেকেরই অভিমত যত বেশি এ ধরনের অপরাধ ঘটছে তার তুলনায় আমাদের বিচার ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে দৃষ্টিভঙ্গি। একটা সময় পর এটাকে ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে দেখি এবং যে কোনো একটি ঘটনা ঘটার পরপরই যতটা আমরা তোলপাড় করি ঘটনাটি নিয়ে তারপর দেখা যায় কিছুকাল পর ইস্যুটিকে একটি গ্রহণযোগ্যতার মধ্যে নিয়ে আসি। সামগ্রিকভাবে একটি বিচারহীনতা এবং একধরনের সামাজিকভাবে এড়িয়ে চলার একটা প্রবণতা আমাদের মধ্যে চলে এসেছে। আমরা যতটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যতটা অ্যাকটিভ থাকি সামাজিক কাঠামোতে আমরা ততটা অ্যাকটিভলি রোল প্লে করি না।

রেডিও তেহরান: অধ্যাপক সালমা আক্তার, আপনি বিচারহীনতার সংস্কৃতি, দীর্ঘসূত্রিতা এবং যেভাবে আমাদের মধ্যে-social interaction হওয়া দরকার সেটা হচ্ছে না। আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের  কথা বলছিলেন। তো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে দেখা যাচ্ছে-এই আত্মহত্যার ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডির ব্যাপারে বাংলাদেশের মূল ধারার গণমাধ্যমগুলো যথেষ্ট সোচ্চার নয়। কি বলবেন আপনি?

সামাজিক দায়বদ্ধতা কমে গেছে

অধ্যাপক সালমা আক্তার: দেখুন, এসব ঘটনায় একধরনের সামাজিক দায়বদ্ধতা যতটা থাকা উচিত সেটার অনেকখানি কমে গেছে। এসব মর্মান্তিক ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে যেভাবে ইস্যু তৈরি করে সবাই সোচ্চার হয় দীর্ঘমেয়াদে কিন্তু এসব বিষয় নিয়ে আমরা সেভাবে ভাবি না। আমার কাছে যেটা মনে হয়, আমাদের নৈতিক দায়িত্বশীলতা এবং পেশাগত দায়িত্বশীলতা আমরা সেভাবে পালন করতে পারছি কি না সেটা একটা বড় বিষয়। যদিও বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো একটি ঘটনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়, সবাই অ্যাকটিভ থাকে। তাতে পক্ষে বিপক্ষে অনেক ধরনের মতামত তৈরি হয়ে যায়। মূলধারার গণমাধ্যমগুলোতে এই ঘটনাগুলো যদি বস্তুনিষ্ঠভাবে নিয়ে আসতে না পারে সেক্ষেত্রে অবশ্যই সংকট তৈরি হয়। সোশ্যাাল মিডিয়াতে আমরা এসব ঘটনাকে একেক জন একেকভাবে দেখার চেষ্টা করছি। এতে কিন্তু সামাজিক সমস্যাগুলোকে দূর করা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা যদি খুব নৈতিক, আদর্শিক ও দায়িত্বশীলতার জায়গা থেকে এ ধরনের ঘটনাগুলো নিয়ে এগুতে না পারি-সেটা গণমাধ্যম হতে পারে, হতে পারে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো তাহলে এ ধরনের সামাজিক সমস্যাগুলো আসলে বাড়তে থাকবে। সমস্যাগুলোর মূলে আমরা পৌঁছাচ্ছি না এবং সামাজিক সমস্যাগুলো কিভাবে দূর করা যায় সেদিকেও আমরা যাচ্ছি না। আমরা খুব ইস্যুকেন্দ্রীক হয়ে যাচ্ছে।

মূলধারার গণমাধ্যমের কাছে আমাদের সাধারণ মানুষের অনেক বড় প্রত্যাশা রয়েছে যে তারা বস্তুনিষ্ঠভাবে এসব বিষয়গুলোকে দেখবেন। প্রত্যেকটি ঘটনাকে তারা সমান গুরুত্বের সাথে দেখবেন। সমস্যাগুলোর একেবারে গোড়াতে তারা চলে যাবেন এটা যেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মতো ভাসাভাসা একটা আলোচনা বা মুখরোচক গল্পের বিষয় না হয়। এ ধরনের সামাজিক সংকটগুলোকে কিভাবে দূর করা যায় সে বিষয়গুলো নিয়ে যেন আমরা বেশি আলোচনার মধ্যে থাকি ব্যক্তিকেন্দ্রীক আলোচনার বাইরে গিয়ে।

রেডিও তেহরান: অধ্যাপক সালমা আক্তার, আপনি বলছিলেন, আমরা ব্যক্তিকেন্দ্রেীক আলোচনায় না গিয়ে এ ধরনের সংকটগুলোর যাতে সমাধান হয় সে ব্যাপারে প্রত্যেককে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।আপনি বলছিলেন যে এসব ঘটনার পেছনে আসলে নৈতিক, সামাজিক, আত্মিক দায়বদ্ধতার এবং মূল্যবোধের একটা ব্যাপার আছে। তো একজন সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে সবশেষে আপনার কাছে জানতে চাইব, এ ধরনের ঘটনা রোধে করণীয় কি?

অধ্যাপক সালমা আক্তার: দেখুন, বস্তুনিরপেক্ষ বিচার হচ্ছে প্রথম ধাপ। বিচারকে বিচারের গতিতে যেতে দেয়া। সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো এসব বিষয়ে ঠিকমতো কাজ করছে কি না, কেন কাজ করছে না সেটা দেখা। আমাদের সোশ্যাল পলিসিগুলো নিয়ে কাজ করা।

আমি বলব এসব বিষয় নিয়ে একধরনের লুকোচুরি আছে। কোনো ঘটনা ঘটে যাওয়ার আগে বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করতে চাই না সেনিসিটিভিটির কারণে। যেমন গুলশানের ঘটনাটি অনেকেই নিশ্চয়ই জানতেন। অথচ এই বিষয়টি সেই সময় আলোচনায় আসলে হয়ত ঘটনাটি ঘটত না কিংবা মেয়েটির মৃত্যুকে ঠেকানো  যেত। এসব বিষয়ে গবেষণা খুবই জরুরি। কি ধরনের সামাজিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি তার কারণ কি সেটা খুঁজে বের করতে হবে। তাছাড়া করোনাকালীন সময়ে সামাজিক বিচ্ছিন্নতা আরও বেশি বেড়েছে গোটা বিশ্বে বাংলাদেশেও বেড়েছে। বস্তুনিষ্ঠভাবে এসবের কারণ উপস্থাপন করা। আবারও বলছি এধরনের ঘটনা কেন ঘটছে তা নিয়ে মুখরোচক আলোচনায় না গিয়ে সামাজিক সংস্কার করা জরুরি। আমাদের মানসিক এবং সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো এবং গবেষণা করা দরকার যাতে এইসব ঘটনা আগে থেকেই প্রিভেন্ট করা যায়। সবশেষে বলব এরকম ঘটনা ঘটলে যেন বস্তুনিষ্ঠভাবে, নিরপেক্ষভাবে তার বিচার পাওয়া যায় সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

রেডিও তেহরান: আচছা, রাষ্ট্র কি দায়িত্ব পালন করতে পারে?

অধ্যাপক সালমা আক্তার: যেকোনো বিষয়ে- বিচারের বিষয়টি রাষ্ট্র নিশ্চিত করতে পারে। সামাজিক সংগঠনগুলোকে শক্তিশালী করার বিষয়টিতে  রাষ্ট্র সাপোর্ট করতে পারে।

রেডিও তেহরান: তো অধ্যাপক সালমা আক্তার গুলশানের একটি ফ্লাট থেকে কলেজ ছাত্রী  মোসারাত জাহান ওরফে মুনিয়ার লাশ উদ্ধার এবং পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রেডিও তেহরানকে সময় দেয়ার জন্য আপনাকে আবারও অশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

অধ্যাপক সালমা আক্তার: আপনাকেও ধন্যবাদ।

 

 

 

 

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ

প্রতিবেদনটি জনস্বার্থে প্রকাশ করা হলো

 

image_pdfimage_print