সরকার আগামী জুন মাসের মধ্যে ৫৩ হাজার ৪৩৪ জন গৃহহীনকে ঘর প্রদান করতে যাচ্ছে।
তাই আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে। তবে কাজের মান নিশ্চিতকরণে এবং সঠিক লোক যাতে আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর পায় তার ওপর নজরদারি বাড়াতেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আশ্রায়ন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনায় আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় এই নির্দেশ দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রকল্পের কাজে যেকোন ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ৭০ হাজার ঘর প্রদানের মাধ্যমে গত ২৩ জানুয়ারি আশ্রায়ন প্রকল্প-২ উদ্বোধন করেন। মুজিব বর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দেশের প্রতিটি ভূমিহীন ও গৃহহীনকে ঘর প্রদানে তাঁর অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্প উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী সবসময় আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এর কাজের অগ্রগতির খোঁজ-খবর নিচ্ছেন উল্লেখ করে কায়কাউস বলেন, যথাসময় প্রকল্প সম্পন্ন হবে বলে তারা আশা করছেন।
তিনি সাফল্যজনকভাবে প্রকল্প সম্পন্ন করে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের নির্দেশ দেন মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের। তিনি বলেন, জনগণের সেবা করার এটি দুর্লভ সুযোগ।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি ট্রাস্টের পক্ষ থেকে আশ্রায়ন প্রকল্পে ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীর ৫ কোটি টাকা দেয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের এই উদ্যোগে এখন বেসরকারি খাতও আগ্রহ দেখাচ্ছে।
কায়কাউস বলেন, বাংলাদেশ থেকে দারিদ্র্য নির্মূল ও গৃহহীনদের সমাজে মর্যাদার আসন প্রদানের পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
আশ্রায়ন প্রকল্পে কিছু অনিয়মর কথা উল্লেখ করে মূখ্য সচিব বলেন, “কোন অনিয়ম সহ্য করা হবেনা। যে কোন অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।” তিনি এই হুঁশিয়ারিকে হালকাভাবে না দেখতেও বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া প্রকল্পের কাজ দ্রুততর করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তদের নির্দেশ দেন যাতে সরকার ৭ জুনের মধ্যে আরো ৫০ হাজার ভূমিহীন ও গৃহহীনকে ঘর দিতে পারে।
সভায় আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এর প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে পাওয়ার প্রিন্ট উপস্থাপন করেন।
সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

 

 

 

 

 

বাসস

প্রতিবেদনটি জনস্বার্থে প্রকাশ করা হলো

image_pdfimage_print