আইন মেনে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে হয়েছিল। তবে সে সময় বিয়ের সামাজিক রীতি-রেওয়াজ মানা হয়নি। রেজিস্ট্রির পর স্ত্রীর ক্যান্সার ধরা পড়ায় সামাজিক রীতি-রেওয়াজ মেনে বিয়ে করার সুযোগও হয়নি দম্পতির। ক্যান্সারে আক্রান্ত স্ত্রীর শেষ ইচ্ছা ছিল, তাঁর মৃত্যুর পর সামাজিক রীতি-রেওয়াজ মেনে ফের যেন তাঁকে বিয়ে করেন তাঁর স্বামী। গত ৬ অক্টোবর কোমায় চলে যান স্ত্রী। তার সাত দিনের মধ্যেই মৃত্যু হয় তাঁর। স্ত্রীর মৃত্যুর সাত দিন পর তাঁর শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে শেষকৃত্যের আগে সামাজিক রীতি-রেওয়াজ মেনে ফের মৃতদেহকেই বিয়ে করলেন যুবক।

সম্প্রতি ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব চিনের ডালিয়াং অঞ্চলে। চিনা সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মৃত তরুণীর নাম ইয়াং লু। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। ওই তরুণীর স্বামীর নাম শু শিনান।

জানা গিয়েছে, শু শিনান হাইস্কুলে ইয়াং লুর সহপাঠী ছিলেন। ২০০৭ সালে শুরু হয় দু’জনের প্রেমপর্ব। ২০১৩ সালে দু’জনে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেন। আর এর পরই স্তন ক্যান্সার ধরা পড়ে ইয়াং লুর। শুরু হয় চিকিত্সা, কেমোথেরাপি। বছর চারেকের মধ্যে সাময়িক ভাবে সেরেও ওঠেন ইয়াং লু। কিছু বছর খানেকের মধ্যেই শরীরে ফিরে আসে ক্যান্সার। শেষ বছর দেড়েক ক্যান্সারের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন ইয়াং লু। কিন্তু এ বার শেষ রক্ষা হল না। লু নিজেও বুঝে গিয়েছিলেন, এ বার আর সুস্থ হয়ে ওঠা হবে না। তাই স্বামীর কাছে নিজের শেষ ইচ্ছা হিসাবে এই অদ্ভুত আবদার করেছিলেন লু।

স্ত্রীর মৃত্যুর পর রীতি মেনে ওই মৃতদেহের সঙ্গেই সাত দিন ছিলেন শু শিনান। শেষকৃত্যের আগে সাদা গাউন পরা স্ত্রীর মৃতদেহকেই ফের বিয়ে করেন তিনি। এই ঘটনা আর ছবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে। এই ঘটনার সঙ্গে আবেগে জড়িয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। তবে এ বিষয়ে নিজে কিছু বলেননি শু শিনান। যেটুকু জানা গিয়েছে, সবটাই শিনানের পরিজনরা জানিয়েছেন।

 

 

 

 

জি নিউজ

প্রতিবেদনটি জনস্বার্থে প্রকাশ করা হলো

image_pdfimage_print