নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ডাকাতিসহ চারটি মামলায় ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে রোববার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, উপজেলার বারদি ইউনিয়নের মান্দারপাড়া গ্রামের ওয়াদুদ বেপারীর ছেলে ও বারদী ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবুর বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ চারটি মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে। এসব ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে সোনারগাঁ থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, গ্রেফতারকৃত হাবু উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গত ২০ বছর যাবত ডাকাতি করে আসছে। তার অত্যাচারে বারদী ইউনিয়নের পাইকপাড়া, গোলায়পাড়া, মান্দারপাড়া, মসলেন্দপুর, নাকুরিয়াহাটি, চেঙ্গাকান্দি, নুনেরটেক, আলগীরচর, দলরদী, শেখের চরের গ্রামের লোকজন অতিষ্ট। স্থানীয় মোতালেব, নূর আমিন, কবীর, সামি আক্তার, শাহাজালাল, ডালিম, নূর মোহাম্মদ, দীন ইসলাম, ফালান মিয়াসহ ১৫/২০ জনের একটি সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে তিনি ডাকাতি কর্মকাণ্ড করে থাকেন।

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, তার বাড়িতে বিপুল পরিমান অস্ত্র মজুদ রয়েছে। সে এ অস্ত্র নিয়ে এলাকা মহড়া দেয়। সব সময় এলাকাবাসী আতঙ্কে থাকে। সে এলাকার জনপ্রতিনিধি হয়েছে জোর জুলম করে মানুষকে জিম্মি করে।

গ্রেফতারকৃত হাবিবুর রহমান ওরফে হাবুর বড় ভাই নুরা ডাকাতও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। দীর্ঘদিন ধরে নুরা ডাকাত এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে। নুরা ডাকাতকেও গ্রেফতারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সূত্র জানায়, বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক চিকিৎসার কারণে ভারতে যাওয়ার সময় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবুকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিয়ে যান। হাবিবুর রহমান দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে প্রতিদিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ব্যাপারে সোনারগাঁ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গ্রেফতারকৃত হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক ওয়ারেন্ট রয়েছে। তাকে সোমবার নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হবে।

 

 

 

সময় নিউজ

প্রতিবেদনটি জনস্বার্থে প্রকাশ করা হলো

image_pdfimage_print