বিশ বছর পূর্তি হলো সিডনি অলিম্পিকসের। ২০০০ সালে সিডনির অলিম্পিক স্টেডিয়ামে পর্দা ওঠে এ আসরের। আবারো অলিম্পিকসের মশাল প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে সেই স্মৃতি তরতাজা করলো অস্ট্রেলিয়ার অলিম্পিক কমিটি। ছিলো বেশ কিছু আয়োজন। অলিম্পিকের এ মশাল তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার অন্যতম উৎস হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করেন ২০০০ অলিম্পিকসের শরণ্যয়ই সাঁতারু ইয়ান থর্প।

ঠিক বিশ বছর আগে, সিডনির অলিম্পিক স্টেডিয়ামে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে পর্দা ওঠে অলিম্পিক গেমসের। জ্বালানো হয় অলিম্পিকের মশাল।

ঠিক ২০ বছর পর আবারো সিডনির বুকে জ্বললো অলিম্পিকের সেই শিখা। তবে, তা অলিম্পিক আয়োজনে নয়। বিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে মশাল প্রজ্বলনের সেই মুহূর্তটি স্মরণ করতেই এ আয়োজন।

অস্ট্রেলিয়ান অলিম্পিক কমিটির সভাপতি জন কোয়াটস বলেন, ”সিডনি অলিম্পিকসের এই স্মৃতিস্তম্ভটা আমাদের এখনও মনে করিয়ে দেয়, কতটা ভালোভাবে আমরা ২০০০ সালে আসরটি আয়োজন করেছিলাম। আমরা সত্যিই অনেক গর্বিত এমন এটা আসর আয়োজন করতে পেরে। আর এর পেছনে রয়েছে সুন্দর পরিকল্পনা ও আয়োজকদের কঠোর পরিশ্রম। একই সাথে এ দেশের নাগরিক ও অ্যাথলেটদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তাও সিডনি অলিম্পিকস আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।”

অলিম্পিকের বিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে সিডনিতে পরিবেশন করা হয় আরও বেশ কিছু আয়োজন। ছিলো দেশটির স্থানীয় এক বাদ্যযন্ত্রের পরিবেশন। এদিন আবেগঘন এক মুহূর্তে সবার সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে নেন সিডনি অলিম্পিকে স্বর্ণজয়ী সাঁতারু ইয়ান থর্প। জানান, এই মশাল নতুন প্রজন্মের কাছে হতে পারে অনুপ্রেরণার উৎস।

অস্ট্রেলিয়ার অলিম্পিক স্বর্ণজয়ী সাঁতারু ইয়ান থর্প বলেন, ”মনে হচ্ছে এইতো সেদিনের কথা। আমরা সিডনি অলিম্পিকে অংশ নিলাম। নিজ দেশে এত বড় এক আসর। অন্যরকম এক অনুভূতি কাজ করেছে। এই স্তম্ভটা সেসব স্মৃতি আবারো মনে করিয়ে দিয়েছে। এটা দেখে নতুন প্রজন্মের অ্যাথলেটরা আরও অনুপ্রাণিত হবে।”

২০০০ অলিম্পিকসের পর এবার অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে ২০৩২ অলিম্পিক আয়োজনের স্বপ্ন বুনছে দেশটির অলিম্পিক কমিটি।

 

 

 

 

 

 

 

সময় নিউজ

প্রতিবেদনটি জনস্বার্থে প্রকাশ করা হলো

image_pdfimage_print