ঘূর্নিঝড় ‘বুলবুলে’র প্রভাবে সাতক্ষীরায় দিনভর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সূর্যের মুখ দেখা যায়নি।

এদিকে, ‘বুলবুলে’র সম্ভাব্য আঘাত মোকাবেলায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত দুর্যোগ মোকাবেলা কমিটির সভায় জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল জানান, উপকূলীয় উপজেলাগুলিতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে স্ব স্ব এলাকায় মাইকিং করে জনগনকে নিরাপদে থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবন সংলগ্ন নদীখালে থাকা নৌযানগুলিকে উপকূলে নিরাপদ স্থানে থাকার আহবান জানানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এরই মধ্যে খোলা হয়েছে ২৭০টি আশ্রয় শিবির। ১২৫২টি স্কুল কলেজ মাদ্রাসা ফাঁকা করে রাখা হয়েছে। শ্যামনগর ,আশাশুনি ও কালিগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত এলকার জনগনকে শনিবার (৯ নভেম্বর) বেলা ১১টার মধ্যে এসব আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগ কবলিতদের সহায়তায় ১১০ মেট্রিক টন চাল, নগদ ১ লাখ টাকা, ৮’শ প্যাকেট শুকনো খাবার, ২৭ হাজার পানি বিশুদ্ধকরন ট্যাবলেট, পানীয় জল, ওষুধপত্র মজুদ রাখা হয়েছে। ২২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক ও রেডক্রিসেন্ট বাহিনী, ৮৫ টি মেডিকেল টিম, নৌ ও স্থলযান প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

একইভাবে পুলিশ, বনবিভাগ,কোস্টগার্ড, র‌্যাব ও বিজিবির পক্ষ থেকেও উপকূলীয় এলাকায় বুলবুল মোকাবেলায় আগাম ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করতে নিষেধ করা হয়েছে।

 

 

 

 

সময় নিউজ

প্রতিবেদনটি জনস্বার্থে প্রকাশ করা হলো

image_pdfimage_print