ছোট থেকে সাঁতার শেখার বহু চেষ্টা করেছেন। তবে দুর্ভাগ্য কখনও সাঁতার শিখে উঠতে পারেননি। বলা ভালো জলে বেশ ভয়ই পান রানি মুখোপাধ্যায়। অথচ ‘মর্দানি-২’-এর জন্য জলের গভীরে নেমেই শ্যুটিং করতে হয়েছে রানি মুখোপাধ্যায়কে।

৩০ ফুট গভীরে নেমে রানি মুখোপাধ্যায়ের পর এই শট দেওয়াটা কিন্তু মোটেও সহজ ছিল না। কিন্তু কীভাবে এই কঠিন কাজটা সম্ভব করলেন অভিনেত্রী?

রানির কথায়, ”পরিচালক গোপী পুত্রন যখন আমায় প্রথমবার চিত্রনাট্য পড়ে শোনালেন, তখন আমি বেশ ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আসলে আমি সাঁতার জানি না। ছোট থেকে বহুবার চেষ্টা করেও শিখতে পারিনি। প্রথমে আমি পরিচালককে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এই দৃশ্যটা বাদ দিয়ে কোনওভাবে শ্যুটিং করা সম্ভব কিনা? পরে গোপী জানালেন এই দৃশ্যটা বাদ দিয়ে ছবিটা ঠিক ভালো লাগবে না। তাই এই দৃশ্যটা রাখতে হবে।”

রানি আরও বলেন, ”গত জুন মাসেই ছবির শ্যুটিং শেষ হয়ে যায়। আমি পরিচালকের কাছে সাঁতার শেখার জন্য কিছুটা সময় চেয়ে নি। অবশেষে সেপ্টেম্বর, অক্টোবর মাস আসতেই আমি ভয় পেতে শুরু করি। এবার তো ওই দৃশ্যের শ্যুটিং করতেই হবে। শেষপর্যন্ত কোচ আনিস আদেনওয়ালা অনেকটা সহায্য করেন। উনি আমাকে ভীষণ সুন্দরভাবে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। এই ছবিটা আমার জীবনের এই ওয়াটার ফোবিয়ার সঙ্গে লড়াই করতে শিখিয়ে দিয়েছে। খপোলির ৩০ ফুট গভীর সুইমিং পুলে ওই দৃশ্যের শ্যুটিং করা হয়। যে পুলে সাধারণত সেনারা প্রশিক্ষণ নেন। যদিও ছবিতে ওই দৃশ্যটা চম্বল নদীতে অভিযান হিসাবে দেখানো হবে। তবে সবথেকে বেশি ভয় হচ্ছিল দৃশ্যটির শ্যুটিং রাতে হবে বলে। তবে অবশেষে এই যাত্রাই আমি উতরে গেলাম।”

প্রসঙ্গত, রানি মুখোপাধ্যায় অভিনীত মর্দানি-২ মুক্তি পাবে ডিসেম্বরের ১৩ তারিখ।

 

 

 

 

জি নিউজ

প্রতিবেদনটি জনস্বার্থে প্রকাশ করা হলো

image_pdfimage_print