[রাজেন্দ্রনাথ রুদ্র] যে সকল ব্যক্তি ইতিপূর্বে কয়েকবার মোহিত হইয়াছে, কাৰ্য্যকারক তাহাদের অনেককে পত্র দ্বারা বা টেলিফোণে মোহিত করিতে সমর্থ হইবে।

(১) একখানা চিঠির কাগজে বড় ও পরিষ্কার অক্ষরে নিমোক্ত আদেশটি লিখিয়া উহার নীচে স্পষ্টাক্ষরে কাৰ্যকারক নিজের নাম সই করিবে। পরে, উহা খামের ভিতর পুরিয়া, সেই খামের উপর উক্ত প্রকৃতির কোন পাত্রের নাম-ঠিকানা লিখিয়া ডাকে পাঠাইবে। পত্ৰ খানা নিম্নোক্তরূপে লিখিবে—“সুরেশ, তুমি এখন যেরূপ অবস্থায়ই থাক, এই পত্র খানা পাঠ করিবা মাত্র তুমি ঘুমাইয়া পড়িবে। তোমার মাথা ভারী হইয়া যাইতেছে,-শরীর অলস ও অবসন্ন হইয়া পড়িতেছে,–চক্ষু দৃঢ়রূপে বন্ধ হইয়া যাইতেছে,-তুমি এখনই ঘুমাইয়া পড়িবে,—তোমার খুব ঘুম হইবে। এই পত্র খানা তোমার পড়া শেষ হইবা মাত্র, তুমি বসিয়া বা শুইয়া পড়িয়া গভীর নিদ্রায় অভিভূত হইয়া পড়িবে।” পাত্র চিঠির আদেশ মত নিদ্রিত হইয়া পড়িলেও ভয়ের কোন কারণ নাই; যেহেতু উহা কিছুক্ষণ পরে স্বতঃই স্বাভাবিক নিদ্রায় পরিবর্তিত হইয়া যাইবে এবং সে যথা সময়ে আপনিই জাগিয়া উঠিবে।

(২) উক্ত প্রকৃতির কোন এক পাত্রকে টেলিফোণে ডাকিয়া তাহার নাম জিজ্ঞাসা করিবে এবং সম্মোহনবিৎও নিজের নাম বলিবে। তৎপরে তাহাকে তিন-চার মিনিট ঘুমের আদেশ দিলেই সে সম্মোহন নিদ্রায় নিদ্রিত হইয়া পড়িবে।

 

 

 

 

 

 

বাংলা লাইব্রেরি

জনস্বার্থে প্রকাশ করা হলো

image_pdfimage_print