অভিযানের আগে অস্ত্র ও গোলাগুলি প্রস্তুত করে নিচ্ছে সরকারি সেনারা

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, লিবিয়ায় বিদেশি হস্তক্ষেপ নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে। গতকাল জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উচ্চ পর্যায়ের একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে দেয়া বক্তৃতায় গুতেরেস এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিদেশী হস্তক্ষেপের পাশাপাশি লিবিয়ায় স্পর্শকাতর সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা হচ্ছে এবং বিপুল সংখ্যক ভাড়াটে গেরিলা যুদ্ধে যুক্ত হয়েছে। আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, লিবিয়ার ওপর যে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তার আওতায় সামরিক সরঞ্জাম কিংবা যে কোনো পক্ষের হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া দুটিই এই নিষেধাজ্ঞার লঙ্ঘন।

২০১৪ সাল থেকে লিবিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী দু’টি গ্রুপ অপরকে উৎখাত করার জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম চালাচ্ছে। এক পক্ষে রয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত লিবিয়ার জাতীয় সরকার আর অন্য পক্ষে রয়েছে পূর্বাঞ্চলীয় তবরুক শহরভিত্তিক জেনারেল খলিফা হাফতারের বাহিনী।

সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, রাশিয়া, জর্দান  জরদান থেকে সহযোগিতা পাচ্ছেন খলিফা হাফতার। অন্যদিকে, ত্রিপোলিভিত্তিক সরকারের পেছনে রয়েছে তুরস্ক। দুই পক্ষেরই বিদেশী সমর্থকদের বিরুদ্ধে উন্নতমানের অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সরকারি বাহিনীর অভিযানে বিদ্রোহীরা ভূমধ্যসাগর উপকূলবর্তী সিত্রে শহর পর্যন্ত পিছু হটে যেতে বাধ্য হয়েছে। এ অবস্থায় যেকোনো মুহূর্তে দুপক্ষের মধ্যে বড় রকমের সংঘর্ষ হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। সরকারি সেনাদের অগ্রাভিযানের পেছনে তুরস্কের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

 

 

 

 

 

 

পার্সটুডে

প্রতিবেদনটি জনস্বার্থে প্রকাশ করা হলো

image_pdfimage_print