আমি মোঃ রাহুল, পেশায় একজন সাংবাদিক (গণমাধ্যম কর্মী)। পেশাগত দায়িত্ব পালনে আমাকে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ করতে হয় এবং তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে বিভিন থানা এলাকায় সোর্স রাখতে হয়।অন্যদিকে প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে হয়। এটাই স্বাভাবিক।পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পরিচয় হয় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার দায়িত্বরত এএসআই সালাম এর সঙ্গে। পরিচয় হওয়ার পর থেকে এএসআই সালাম আমাকে প্রায় সময় বলতেন, সাংবাদিক ভাই আপনার কাছে তো অনেক ধরনের খঁবর থাকে, মাদকের বিষয়ে কোন খঁবর থাকলে আমাকে জানাবেন, আমার উপকার হবে। মাদক ধরতে পারলে আমার চাকরির ক্ষেত্রে প্রমোশন বাড়বে। পারলে এই উপকারটা করবেন ভাই। ঘটনা চক্রে গত ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ ইং সোমবার পূর্ব পরিচিত গোপন সংবাদদাতা(সোর্স)কানিজ ফাতেমা (মায়া) আমাকে জানায়, তার বাসায় বগুড়া থেকে মাদকসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আসবে। তখন আমার মনে পড়লো এএসআই সালাম এর কথা। তিনি আমাকে বলে ছিলেন,মাদকের বিষয়ে কোন খবর থাকলে আমাকে জানাবেন,আমার উপকার হবে। তারপর আমি যাত্রাবাড়ী থানায় ডিউটিরত অফিসার এএসআই সালামকে বগুড়া থেকে একজন মাদক ব্যবসায়ী আসবেন জানাই। তখন এএসআই সালাম আমাকে তার সাথে দেখা করতে বলে। তখন আমি তার সাথে কাজলার পাড় ব্রীজের উপর গিয়ে দেখা করি। তারপর সে আমার কথা শোনার পর আমাকে সাথে নিয়ে কানিজ ফাতেমা (মায়া)র বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। কিন্তু তার সাথে ডিউটিরত বাকী যে পুলিশ সদস্য ছিল তাদের কাউকে সাথে না নিয়ে সে একা আমাকে নিয়ে কানিজ ফাতেমা (মায়া)র বাসায় যায়। পথিমধ্যে সালাম ভাইকে সঙ্গীয় ফোর্স না নিয়ে আসার কারন জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, সমস্যা নাই আমি সব ম্যানেজ করে ফেলবো, আপনি চিন্তা করবেন না। আমরা দুজন কাজলারপাড় থেকে একটু আগে বাড়িয়ে ভাঙ্গা প্রেস ফাইজুদ্দিনের গলি, ইদ্রিস সাহেবের বাড়ী, আল্লাহর দান ভবনে প্রবেশ করি।
প্রবেশ করার সময় কেচি গেইটে দেখি তালা। তখন গেইট নক করার পর বাড়ীর ম্যানেজার সহিদ এসে জিজ্ঞেস করে আপনারা ক তলায় যাবেন, আমরা বলি ২য় তলায় মায়ার ফ্ল্যাটে যাবো। তখন সে গেইট খুলে দেয়। তখন সময় আনুমানিক ১২টা থেকে সাড়ে ১২টা হবে।

মাদক সেবনরত অবস্থায় মাদক ব্যবসায়ী ভুট্টু


ফ্ল্যাটে আমরা ঢুকার পর দেখি একটি লোক ইয়াবা সেবন করিতেছে, যার নাম ভুট্টু। ভুট্টুর দেহ তল্লাশি করিয়া এএসআই সালাম এক জিপার ইয়াবা উদ্ধার করে। উক্ত উদ্ধারকৃত ইয়াবা এএসআই সালামের বাম পকেটে ঢুকিয়ে রাখে। ঘটনাস্থলে বিছানার উপর প্রায় আনুমানিক আরো ১৫/২০টি ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। তখন আমি সাংবাদিক মোঃ রুহুল আমিন রাহুল ঘটনাস্থলের কিছু ছবি উঠাই। আসামী ভুট্টুর নাম-ঠিকানা লেখার পর এএসআই সালাম আমাকে পাশের ঘরে যেতে বলে, তারপর সে দরজা লাগিয়ে মাদক ব্যবসায়ী ভুট্টু ও কানিজ ফাতেমা (মায়া)র নগ্ন ছবি তার মোবাইলে তুলে। দরজা খোলার পরে কানিজ ফাতেমা (মায়া) আমাকে বলে তাদের নগ্ন ছবি তোলার ঘটনা।

মাদক ব্যবসায়ী ভুট্টু ও সোর্স কানিজ ফাতেমা (মায়া)


এএসআই সালাম মাদক ব্যবসায়ী ভুট্টুর হাতে হ্যান্ডকাপ পড়িয়ে থানায় নিয়ে যাবে বললে তখন মাদক ব্যবসায়ী ভুট্ট বলে আমাকে ছেড়ে দেন,এই কথা বলে সে টাকার অফার করতে থাকে। এএসআই সালামকে সে বিশ হাজার টাকা থেকে শুরু করে দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত দিতে রাজি হয়। তারপর এএসআই সালাম বলে তুই টাকা এনে দে, তারপর তোকে ছাড়বো। তখন ভুট্টু তার আত্মীয়-স্বজনদের কাছে ফোনের মাধ্যমে টাকা চায়। ভুট্টর আত্মীয়-স্বজন বলে এতো রাতে টাকা কোথা থেকে দেবো? সকাল হোক তারপর ব্যবস্থা করে দিব। তখন সালাম ভাই আমাকে বলে, সাংবাদিক সাহেব, ভুট্ট যেহেতু দুই লক্ষ টাকা দিবে, তাহলে আমরা তাকে ছেড়ে দিই, কিন্তু আপনি এই ঘটনার কোন নিউজ করবেন না।এ কথা বললে আমি সালাম ভাইকে বলি ভাই মাদকের গোপন খঁবর দিলে আপনার উপকার হবে জেনে আমি আপনাকে এই তথ্য দিয়েছি, আপনি এখন টাকা নিয়ে ওকে ছেড়ে দেবেন বলছেন এট তো ঠিক না। কথাগুলো বললে এএসআই সালাম বলেন, ভাই পুলিশের সঙ্গে চলেন, পুলিশের সম্পর্কে আপনার ধারনা নেই। আমি যা বলেছি তা আমার মনের কথা না। ওদের পুরো গ্রুপটাকে ধরার জন্য বলেছি। একথা শুনার পর আমি বাইরে গিয়ে কিছুক্ষন দাড়িয়ে থাকি।এদিকে ভুট্ট কান্নাকাটি করে আমাকে অনুরোধ করে ওকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য। আমাকে তখন মায়া বলেন, ভাই আমাকে এভাবে নগ্ন করে ছবি তুলেছে এএসআই সালাম। আমাকে এভাবে নগ্ন ছবি তোলা ঠিক করেন নাই। আমি আপনাকে মাদকের সংবাদ দিয়েছি কিন্তু আমাকেই আপনারা আসামী বানাচ্ছেন। সমাজে আমি মুখ দেখাবো কি করে। আমি তখন মায়াকে বললাম তুমি কোন চিন্তা করোনা, আমি সালাম ভাইযের সঙ্গে কথা বলবো।এর মধ্যে সালাম ভাইয়ের ফোন একটা কল আসে, তখন সে ঘরে তালা মেরে বাইরে আসে। বাইরে আসার ফোনে তার আরেক বন্ধু এএসআই ফরহাদকে ফোন করে। ফোনে কথা বলার পর আমি সালাম ভাইকে প্রশ্ন করি আসামীদেরকে এখন কি করবেন? তিনি তখন আমাকে বলেন, ভাই আজ রাত ওদেরকে ঘরের মধ্যে আটকিয়ে রাখতে হবে, কাল সকালে ওদের লোকজন আসবে, তখন আরো আসামীদেরকে এক সঙ্গে ধরা যাবে। আমি তখন সালাম ভাইকে বলি ওসি শাহেবকে বিষয়টি জানানো দরকার। তখন তিনি আমাকে বলেন, সাংবাদিক ভাই আপনার মাথায় বুদ্ধি কম, এখন ওসি শাহেবকে জানালে সব কাজ নষ্ট হয়ে যাবে। সালাম ভাই আমাকে কথাগুলো বললে, আমি তখন বাসার উদ্দেশ্যে চলে আসি। আসার আগে সালাম ভাইয়ের কাছে জানতে চাই আগামীকাল সকলে আসতে হবে কিনা? তখন তিনি আসতে বলেন। তার পরের দিন ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ ইং মঙ্গলবার সকালে এএসআই ফরহাদসহ এএসআই সালাম ঐ বাড়ীতে প্রবেশ করে এবং ভুট্টুর আত্মীয়-স্বজনদের কাছে টাকা চায়, নাহলে মামলা দিয়ে দিবে। কিন্তু তারা দেই দিচ্ছি বলে নানান বাহানা করতে থাকে। তখন এএসআই সালাম ও এএসআই ফরহাদ মাদক ব্যবসায়ী ভুট্টকে নিয়ে বাহিরে এসে ধলপুর কমিউনিটি সেন্টারের ভিতরে এসে এসএসআই সালাম কিছুক্ষণ একা কথা বলে। কথা বলার পর আমি সালাম ভাইয়ের কাছে জানতে চাই কি অবস্থা। তখন তিনি বলেন, ভাই আমার একটা সমস্যা হয়েছে আমার বাসায়। এক জায়গা থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা আনতে হবে। আপনার ভাবিকে টাকা পাঠাতে হবে। আমার সিমটা বিকাশ করা নাই। কিছু যদি মনে না করেন, তাহলে আপনার সিম যদি বিকাশ করা থাকে তাহলে আমাকে একটু আপনার পার্সোনাল বিকাশ নাম্বার দিন। আমি তখন আমার দুইটা পার্সোনাল বিকাশ নাম্বার দেই যাহার নং (০১৯৫৫-২৪২৩২২, ০১৬২৪-২৬৯২৯২)। উক্ত নাম্বারে ছয় হাজার টাকা আসলে, আমি ধলপুর কমিউনিটি সেন্টারের সামনের একটি ফোন-ফ্যাক্সের দোকান থেকে ছয় হাজার টাকা ক্যাশ আউট করে এএসআই সালামকে দেই। এএসআই সালাম মাদক ব্যবসায়ীর সাথে সাইটে গিয়ে আরো কিছুক্ষণ কথা বলে তারপর আমি, এএসআই সালাম ও এএসআই ফরহাদ গোলাপ বাগ ডিসি অফিসের অপরজিটে বাস কাউন্টারে যাই।তারপর এএসআই সালাম বাস কাউন্টারের লোকজনকে জিজ্ঞেস করে বগুড়ার গাড়ী কয়টায়। কাউন্টারের লোকজন বলে পরবর্তী গাড়ী রাতে সাড়ে নয়টায়। উক্ত সময় সালাম ভাইকে জিজ্ঞাসা করি আসামীকে এখন কি করবেন? এএসআই সালাম বলেন,আসামীকে থানায় নিয়ে মামলা দেবো। আপনি বাসায় চলে যান। যা হবে থানায় গিয়ে হবে। ওসি শাহেবকে বিষয়টি জানিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, হ্যাঁ জানিয়েছি। আমি তখন আমার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে চলে আসি। পরের দিন এএসআই সালামকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ০১৯৪৪৭৪১০০৩,০১৭৬০৬৬৪৬০০ এর মধ্যে একটি নাম্বারে কল করে আসামীকে মামলা দেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে, তিনি বলেন,পরে দেখা করে কথা বলবো। তারপর দিন আমি তাকে ফোন দিলে সে বলে আরো দুই/তিন দিন পর যোগাযোগ করেন। পরবর্তিতে আমি জানতে পারি,এএসআই সালাম,মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আসামী ভুট্টকে ছেড়ে দিয়েছেন। ঘটনাটি জানতে পেরে আমি ২১শে ফেব্রুয়ারীর দিন সালামকে কল করে প্রশ্ন করি টাকা খেয়ে আসামী ছেড়ে দিলেন, কাজটা কি ঠিক করলেন? তখন সে আমাকে বলে, সাংবাদিক ভাই আপনি ফোনে এসব কথা বইলেন না, আপনি আমার সাথে দেখা করেন, তখন সে আমাকে এক ঘন্টা পর ধলপুর কমিউনিটি সেন্টারের সামনে যেতে বলেন। তখন প্রায় সন্ধা। আমি ধলপুর কমিউনিটি সেন্টারের সামনে যাই এবং আমি এএসআই সালামকে ফোন দেই। ফোন দিতে না দিতেই সিভিলে থাকা এএসআই সালামসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ লোকজন আমাকে ঘিরে ফেলে এবং ছিনতাইকারীর স্টাইলে আমার বাইকের চাবি এবং আমার দুইটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। তাদের পরিচয় জিজ্ঞেস করলে তারা বলে আমরা পুলিশের লোক। তখন আসে-পাশের লোকজনও এসে তাদের পরিচয় জিজ্ঞেস, তারা বলে আমরা যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ। এক পর্যায়ে তারা আমাকে জোর করে তাদের গাড়ীতে করে যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে যায়। থানায় নিয়ে একটা লকআপে আমাকে ঢুকিয়ে রাখে। কিছুক্ষণ পর এস.আই বেল্লাল হোসেন জনি এসে আমাকে বলে ঐদিন মাদক ধরতে গিয়ে যে ছবিগুলো তুলেছেন সেই ছবিগুলো কোথায়? আমি দিতে অস্বীকার করলে আমাকে লকআপ থেকে অন্য একটা রুমে নিয়ে আমাকে অনেক টর্চার করে। তারপর আমার কাছ থেকে জোরপূর্বক একটা সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়। তার পরের দিন আমাকে কোর্টে নিয়ে সাত দিনের রিমান্ড চায়। কিন্তু বিজ্ঞ আদালত আসামীকে দেখতে চায়, তখন আমি ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেবকে বলি যে, আপনি অনুমতি দিলে আমি আপনার সাথে দুই মিনিট কথা বলতে চাই। ম্যাজিষ্ট্রেটের পিছনের কামরায় ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে আমার কথা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট আমার পরিচয় জিজ্ঞেস করলে বলি আমি একজন সাংবাদিক, দেশের জন্য কাজ করি। তখন তিনি বলেন, কোন পত্রিকায় কাজ করি, তখন আমি বলি, আমি দৈনিক মাতৃজগৎ পত্রিকায় ক্রাইম রিপোর্টার ও আমাদের কথা বিডি ডট কম (নিউজ এজেন্সি)এর প্রতিবেদক হিসাবে কাজ করি। আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। পুলিশের কিছু দুর্নীতির ছবি আমি তোলাতে তারা আমাকে মিথ্যা চাঁদাবাজী ও অপহরণ মামলা দিয়েছে।এমতাবস্থায়, স্যার আপনার কাছে আমার আকুল আবেদন, আপনি সত্যতা যাচাই করুন। দয়া করে আমাকে রিমান্ড দিবেন না। আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। তখন ম্যাজিস্ট্রেট আমাকে সাত দিনের রিমান্ড কেটে দিয়ে এক দিনের রিমান্ড দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ মঞ্জুর করেন। তারপর আমাকে পুলিশ থানায় নিয়ে আমাকে মেমোরী কার্ডের জন্য অমানবিক নির্যাতন করে। তারপরের দিন আমাকে কোর্টে হাজির না করে আরো একদিন থানায় অতিরিক্ত রেখে শুক্রবার দিন আমাকে কেরাণীগঞ্জ সেন্ট্রাল জেলে চালান করে। এই মিথ্যা চাঁদাবাজী ও অপহরণ মামলায় আমি দীর্ঘ ১৪ মাস জেল কাটার পর আমার জামিন হয়। আমার জামিনসহ জেলে প্রায় ৩/৪ লক্ষ টাকা খরচ হয়। জামিনে আসার পর আমি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই বিল্লাল হোসেন জনির সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে সে আমাকে তিনদিন পর থানায় যেতে বলে। আমি তিন দিন পর থানায় গেলে সে একটি কাগজে সই রেখে আমাকে আমার দুইটি মোবাইল ফোন, একটি ক্যামেরা ও বাইক চাবিসহ বুঝিয়ে দেয়। কিন্তু আমি আমার গাড়ীর হেলমেট, গাড়ী সিকিউরিটি এলার্ম লক, আরো কিছু গাড়ীর পার্টস পাইনি। উক্ত অবস্থায় আমি গাড়ী নিয়ে বাসায় চলে যাই। পরবর্তিতে আমি গত —-তারিখে যাত্রাবাড়ী থানার মিথ্যা মামলা দায়ের করা ঘটনাটি সুষ্ঠ তদন্তে জন্য ডিএমপি পুলিশ কমিশনার বরাবর একটি অভিযোগ করি। যার স্বারক নং-
বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতায় জিবনযাপন করছি। অন্যদিকে সামাজিক ও মানুষিকভাবে হেয় প্রতিপণ্য হচ্ছি। আমার ভাবতে অবাক লাগছে, আমরা সবাই এদেশের সন্তান হয়েও আজকে স্বার্থের জন্য একে অন্যকে ক্ষতি করতে দ্বিধাবোধ করছিনা। আমার ভাবতে অবাক লাগছে, সত্য ঘটনাকে ধামাচাঁপা দিয়ে কি করে একজন গণমাধ্যম কর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে যাত্রাবাড়ী থানার পথভ্রষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বাঁচানোর চেষ্টায় উঠে পরে লেগেছে যাত্রাবাড়ী থানার ওসি এবং এসি শাহেবরা। তারা কি একবারো ভাবলেন না, এতো বড় অন্যায় আল্লাহ কি সইবে। প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে আমার প্রশ্ন আমরা কি স্বাধীনভাবে আমাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারবো না? সর্বশেষ আমার একটাই দাবি প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে, উক্ত ঘটনাটির সুষ্ঠ তদন্ত করে এএসআই সালামের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে একজন গণমাধ্যম কর্মীকে মিথ্যে মামলা থেকে অব্যহিতি প্রদান করে তাকে সামাজিক ভাবে সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আমাদের কথা বিডি ডট কম ত্রর পক্ষ থেকে প্রতিবেদনটি জনস্বার্থে প্রকাশ করা হলো। আমাদের কথা বিডি ডট কম কর্তৃপক্ষ এর জন্য দায়ী নয়।

উক্ত প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলো

image_pdfimage_print