ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের ভাদেশ্বরা গ্রামে মসজিদে ঢুকে মো. শরীফুল্লাহ খান ইমন (২২) নামের এক যুবককে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ওই যুবককে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্যে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ইমন ভাদেশ্বরা গ্রামের আলী আকবর খানের ছেলে।

ইমনের চাচা মো. ইসমাইল খান জানান, বিকেলে নামাজ পড়তে ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদ যাওয়ার সময় একই গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে মুস্তাকিম মিয়াসহ কয়েকজন ইমনের উপর হামলা করে। ইমন দৌড়ে মসজিদে আশ্রয় নেয়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে রক্তাক্ত করা হয়। উপস্থিত মুসল্লিদের চিৎকারে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

তিনি অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ইমনদের বাড়ির একটি বৈদ্যুতিক মিটারে আগুন লাগিয়ে দেয় আব্দুর রহমানের ছেলে আবু বক্কর। শুক্রবার বিকেলে এ বিষয়ে সদর থানায় অভিযোগ দেয়া হয়। শনিবার এস.আই নুরুল আমিন সংগীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনার তদন্ত করতে আসেন। এরই জের ধরে ইমনের উপর হামলা করা হয়। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমনকে ঢাকায় পাঠান। দুই পরিবারের মধ্যে আগে থেকেই জমি সংক্রান্ত বিরোধও আছে বলে তিনি জানান।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান, ইমনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শরীরের বিভিন্নস্থানে জখম হওয়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইমনকে ঢাকায় নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে থাকা সদর থানার এস.আই মো. নুরুল আমীন সাংবাদিকদের বলেন, মসজিদের ভেতরেই হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করা হচ্ছে। তিনি জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে দুই পরিবারের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. ইশতিয়াক আহমেদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

 

 

 

সময় নিউজ

প্রতিবেদনটি জনস্বার্থে প্রকাশ করা হলো

image_pdfimage_print