পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেছেন, নড়িয়ার মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে আগামী এক বছরের মধ্যে নতুন একটি ১০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হওয়া মুলফৎগঞ্জ হাসপাতালের পুন:নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।
আজ সকালে নড়িয়ার মুলফৎগঞ্জ বাজার সংলগ্ন নদীর পাড়ে ঢাকাস্থ নড়িয়া উপজেলা পেশাজীবী পরিষদের পক্ষ থেকে নদীভাঙ্গন কবলিত দুর্গতদের দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এনামুল হক শামীম বলেন, সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে গত বর্ষায় নড়িয়ার মানুষ নদীভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। আর যে ২২০ মিটার এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা আগামী দুই মাসের মধ্যে ভরাট করে তাদের পুনর্বাসন করা হবে। এছাড়াও সরকার আগামী বর্ষাকে সামনে রেখে নড়িয়াসহ সারাা বাংলাদেশের নদীভাঙ্গন প্রবণ এলাকার মানুষদের নদীভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আগাম প্রস্তুতিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরীর মহা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) আব্দুল্লাহ হারুন পাশা, নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়ন্তী রূপা রায়, ঢাকাস্থ নড়িয়া উপজেলা পেশাজীবী পরিষদের আহবায়ক কমিটির আহবায়ক নুরে হেলাল, সদস্য সচিব ডা. ফারুক শেখ প্রমুখ।
মেডিকেল ক্যাম্পে নড়িয়ার ভাঙ্গন কবলিত দুস্থ সহস্রাধিক রোগীকে বিনামূল্যে ঔষধসহ চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনের আগে মন্ত্রী চরাত্রা, নওয়াপাড়া, সুরেশ্বর ও মুলফৎগঞ্জ এলকা এবং পদ্মার ডানতীর রক্ষাবাঁধ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।

 

 

 

বাসস

প্রতিবেদনটি জনস্বার্থে প্রকাশ করা হলো

image_pdfimage_print