ব্যাঙ উভচর শ্রেণীর একটি মেরুদণ্ডী প্রাণী। পানিতে থাকাকালীন ব্যাঙাচি অবস্থায় ফুলকার সাহায্যে এবং পরিণত অবস্থায় ডাঙ্গায় ফুসফুসের মাধ্যমে এরা শ্বাসকার্য চালায়।

প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীতে ব্যাঙের বসবাস। একমাত্র এন্টারটিকা মহাদেশ ছাড়া সারা বিশ্বেই এদের পাওয়া যায়। পৃথিবীতে প্রায় ৫০০০ প্রজাতির বেশি ব্যাঙ বসবাস করে। বাংলাদেশে রয়েছে ৪৯ প্রজাতির ব্যাঙ।
বেশিরভাগ ব্যাঙের দাঁত থাকে। কিন্তু উভয় পাশে নয়। শুধুমাত্র উপরের পাটিতে দাঁত থাকে। তবে, তারা এটি সবসময় ব্যবহার করে না শুধুমাত্র শিকারের সময় কাজে লাগায়।

ব্যাঙ সাধারণত তাদের জিহ্বা দিয়ে শিকার করে। কিন্তু কিছু প্রজাতি আঙুল দিয়েও তাদের শিকার ধরে।
ব্যাঙের ত্বক পাতলা ও রঙিন। এরা পানি পান করে না। কারণ এই বিশেষ ত্বকের মাধ্যমে পানি শোষণ করতে পারে। এছাড়াও তাদের এই রঙিন ত্বক শিকারী প্রাণীদেরকে দূরে রাখে।

এক সপ্তাহ পর পর ব্যাঙের সম্পূর্ণ চামড়া পরিবর্তন হয়ে নতুন চামড়া ওঠে। তখন এই পুরাতন চামড়া তারা খেয়ে ফেলে!
আরেকটি অবাক করা বিষয় হচ্ছে- ব্যাঙ নিজের শরীরের উচ্চতার চেয়ে প্রায় ২০ গুণ বেশি লাফিয়ে চলতে পারে।

জল ও ডাঙা উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাঙের অবাধ বিচরণের কারণে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাঙের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে অর্থনৈতিক গুরুত্ব।

image_pdfimage_print