আমি রাজধানী ঢাকা জুরাইন এলাকার বাসিন্দা। আমাদের জুরাইন রেলগেইট থেকে মাজার রোড পর্যন্ত একটি লেগুনা স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে। আমার জানা মতে উক্ত স্ট্যান্ডটি সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবে পরিচালনা হচ্ছে।

এখানে ১৫০-২০০ ফিটনেস বিহীন লেগুনা রয়েছে। এই স্ট্যান্ডটি পরিচালনার জন্য কিছু চাঁদাবাজ ও কথিত মালিক সমিতির লোক রয়েছে। এখান থেকে প্রতিদিন জুরাইন- গুলিস্তান পর্যন্ত ১০০ লেগুনা যাতায়াত করে।

অন্যদিকে জুরাইন- দয়াগঞ্জ পর্যন্ত ৫০টির মতো লেগুনা যাতায়াত করে। এই স্ট্যান্ডটির থেকে প্রতিদিন চাঁদা তোলা হয়।

মাসুম নামের একজন গাড়ী প্রতি ২০ টাকা করে চাঁদা তোলে, অন্যদিকে তুহিন, সোরাব, বাবু, জাহাঙ্গীর এরা লেগুনা
মালিক সমিতির নাম করে লেগুনা প্রতি ১৩০ টাকা করে চাঁদা তোলেন।

লক্ষ করলে দেখা যায়, প্রতিটি লেগুনা ফিটনেস বিহীন। ড্রাইভার গুলো প্রায় অল্প বয়সের এবং অদক্ষ। আমি মোবাইল দিয়ে কিছু ছবি তুলেছি পাঠকরা সেগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন। এখানে অদক্ষ ড্রাইভারদের কারনে প্রায় দুর্ঘটনা ঘটছে।

গত ২ মাস পূর্বে জুরাইন মাজার এর সামনে লেগুনা ওলটে দুজন মারা যায়। তারপর ও থেমে নেই এই লেগুনা গাড়ীগুলোর উৎপাত। তাদের কারনে অত্র এলাকার সাধারণ মানুষ ও ছাত্র- ছাত্রীদের প্রতিদিনই যাতায়াত করতে হচ্ছে মৃত্যুকে হাতে নিয়ে। কখন কিভাবে কার মৃত্যু হয় বলা যায়না। শুধু তাই নয় রাস্তাটি ও খুবই নাজুক অবস্থায় রয়েছে।রাস্তাটি বিভিন্ন জায়গায় ভেঙ্গে গর্ত হয়ে গেছে।

চাঁদাবাজদের কারনে ভাড়া ও বেশী নেওয়া হচ্ছে। জনপ্রতি জুরাইন- দয়াগঞ্জ পর্যন্ত ৮ টাকা, জুরাইন- গুলিস্থান পর্যন্ত ১৫ টাকা। এ বিষয়ে কোন প্রতিবাদ করেও লাভ হয়না।

বিভিন্নভাবে জানতে পেরেছি এই চাঁদাবাজরা স্থানীয় থানা পুলিশকে ও রাজনীতির নেতাদের ম্যানেজ করে লেগুনা স্ট্যান্ডটি পরিচালনা করছে।

অতএব, আমরা জুরাইনবাসী এই সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে চাই। আমি জুরাইনবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত, আমার নাম প্রকাশ করতে পারলাম না। কারন নাম জানতে পারলে চাঁদাবাজরা হয়তো আমার ক্ষতি করতে পারে। শুধু এইটুকু পরিচয় দিতে পারি, আমাদের কথা বিডি ডট কম (সংবাদ সংস্থা) এর একজন স্ব-রূপ বৃত্তান্তের সদস্য।

প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলো

image_pdfimage_print