আমি রাজধানী ঢাকা জুরাইন এলাকার বাসিন্দা। আমাদের জুরাইন রেলগেইট থেকে মাজার রোড পর্যন্ত একটি সিএনজি স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে।উক্ত স্ট্যান্ডটি সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পরিচালনা হচ্ছে কিছু চাঁদাবাজদের মাধ্যমে ।

আমি মোবাইল দিয়ে ছবি তুলেছি পাঠকরা সেগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন।

এখানে ১৫০-২০০সিএনজি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এখানে অবস্হান করে। এই সিএনজি স্ট্যান্ডটি পরিচালনার জন্য কিছু চাঁদাবাজ রয়েছে।এখানে সিএনজি গুলো দাঁড় করালেই দিতে হয় ২০ টাকা করে চাঁদাবাজদের ।

রিপন মোল্লা এই চাঁদাবাজদের মূল হোতা।তার আছে ৩ জন লাইনম্যান।তারা হলো রহমান,কুদ্দুছ,জনি।প্রতিদিন এই লাইনম্যানরা প্রতিটি সিএনজি থেকে ২০ টাকা করে ৫-৬ হাজার টাকা সংগ্রহ করে রিপন মোল্লার কাছে জমা করে।রিপন মোল্লা মাসুম নামের একজনকে ২০০ টাকা, স্থানীয় থানা পুলিশ ও রাজনীতির নেতাদের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে ।

লক্ষ করলে দেখা যায়, প্রতিটি সিএনজি থেকে টাকা তোলার সময় ট্রাফিক পুলিশ দেখে ও কিছু বলে না চাঁদাবাজদের।এখানে প্রায় দুর্ঘটনা ঘটছে।

তাদের কারনে অত্র এলাকার সাধারণ মানুষ ও ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিদিনই যাতায়াত করতে হচ্ছে মৃত্যুকে হাতে নিয়ে। কখন কিভাবে কার মৃত্যু হয় বলা যায়না। শুধু তাই নয় রাস্তাটি ও খুবই নাজুক অবস্থায় রয়েছে।রাস্তাটি বিভিন্ন জায়গায় ভেঙ্গে গর্ত হয়ে গেছে।

চাঁদাবাজদের কারনে ভাড়া ও বেশী নেওয়া হচ্ছে।এ বিষয়ে কোন প্রতিবাদ করেও লাভ হয়না।

অতএব, আমরা জুরাইনবাসী এই সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে চাই। আমি জুরাইনবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত, আমার নাম প্রকাশ করতে পারলাম না। কারন নাম জানতে পারলে চাঁদাবাজরা হয়তো আমার ক্ষতি করতে পারে। শুধু এইটুকু পরিচয় দিতে পারি, আমাদের কথা বিডি ডট কম (সংবাদ সংস্থা) এর একজন স্ব-রূপ বৃত্তান্তের সদস্য।

প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলো

image_pdfimage_print