এক ভদ্রলোক বিদেশ থেকে উন্নত প্রজাতির একটি কুকুর কিনে বাড়িতে আনলেন। কুকুরটির বৈশিষ্ট্য হল যে, সে শুধু তার প্রভু বা মালিকের গায়ের গন্ধ শুঁকেই তার পরিবার বা আত্মীয়স্বজনদের নির্ভুলভাবে চিনে নিতে পারে। তো একদিন ভদ্রলোক কুকুরটিকে নিজের গায়ের গন্ধ শুঁকিয়ে...
দুইজন মহিলার পেটানি খাওয়া একজন অত্যাচারিত, নিপীড়িত পুরুষের অশ্রুসজল কাহিনী : এক মহিলা মারুতি গাড়ি চালিয়ে বাজারে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় অন্যমনস্ক অবস্থায় ধাক্কা মেরে দিলেন এক বি এম ডব্লু গাড়িকে। বি এম ডব্লু থেকে বেরিয়ে এলেন আরেক মহিলা। চিৎকার… তুই অন্ধ...
দোস্ত, মাইয়টার উপর এমন ক্রাশ খাইছি যে মাথা থেকে তারে দূর করতে পারছি না। — আয় দেখি দূর কইরা দিতে পারি কিনা… মনে করে তুই বাড়িতে একা, আর মেয়েটা তখন তোর বাড়িতে গেলো। হুম ভালোই লাগছে ভাবতে। — তুই রুমে বসা আর...
বাবা: খোকা, পরীক্ষা কেমন দিলি? ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে। বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে? ছেলে: না, বাকি গুলোতে লিখতেই পারিনি।
স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা আরম্ভ হলো। পরীক্ষার হলে এক ছাত্রী জোরে জোরে কাঁদছে। শিক্ষকঃ তুমি কাঁদছ কেন? ছাত্রীঃ আমার রচনা কমন পড়েনি। শিক্ষকঃ কেন? কী এসেছে? ছাত্রীঃ এসেছে ‘ছাত্রজীবন'। স্যার, আমি তো ছাত্রী। ‘ছাত্রজীবন' লিখব কীভাবে।

মুখস্থ

ম্যাডাম বলেছে, প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করতে হবে। সৌরভ করছেও তা। সে বাড়িতে শিখেছে, আমাদের দেশের কয়েকটি ফলের নাম-আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা প্রভৃতি। পরীক্ষায় প্রশ্ন এল, দেশের পাঁচটি ফলের নাম লেখো। সৌরভ হিসাব করে দেখল, ও শিখেছে ছয়টি...

টুকলি

স্কুল পড়ুয়া দুই বন্ধুর পরীক্ষার শেষে স্কুল মাঠে দেখা- ১ম বন্ধুঃ কী রে, তোর পরীক্ষা কেমন হলো ? ২য় বন্ধুঃ পরীক্ষা ভাল হয়নি রে ! তবে ৫ নম্বর নিশ্চিত পাবো । ১ম বন্ধুঃ কীভাবে ? ২য় বন্ধুঃ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য ছিল ৫ নম্বর...
নেতা: প্রয়োজনে বুকের রক্ত ঢেলে দেব। জনতা: কিন্তু আপনি তো শুনেছি রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন।
একটানা বক্তব্য শেষে বক্তা বললেন, "আশা করি, আমার বক্তব্য আপনাদের খুবই ভালো লেগেছে, আপনাদের ধন্যবাদ। আর যাঁদের ভালো লাগেনি, তাঁরাও আমাকে ধন্যবাদ দিতে পারেন। একটা ভালো ঘুমের বিনিময়ে একটা ধন্যবাদও দেবেন না!"
এক ভদ্রলোক তার বিপরীত প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ভোটে দাঁড়ালেন। ভদ্রলোকটি ভোটে হারার পর তাঁকে প্রশ্ন করা হল, আচ্ছা দাদা, আপনি কত ভোট পেয়েছেন ? লোকটি উত্তর দিল- তিন শ এক । তা আপনি তো জানতেন যে কিছুতেই ওনার বিপরীতে...
রেস্টুরেন্টে সাংসদের খাওয়া শেষ হলে তাঁর কাছে এগিয়ে এল রেস্টুরেন্টের শেফ। জিজ্ঞেস করল, আলু-মাংসের ডিশটা কেমন লেগেছে আপনার? -কীভাবে বলি! ওই ডিশে ছিল আলুর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা। আর মাংস ছিল দুর্বল বিরোধী দলের মতো।
লেখক : আমি যে লেখালেখির কিছুই জানি না সেটা আমি এতদিনে বুঝতে পারলাম। সাংবাদিক : তা হলে এখন কি আপনি লেখালেখি ছেড়ে দিবেন? লেখক : তা-ই বা কেমন করে দিই? এখন তো আমি বিখ্যাত লেখক।
পাঁচু মদনকে জিজ্ঞাসা করছে, আচ্ছা ভাই আমায় একটা কথা বোঝা, কোনও কোনও লেখক শুধু জীবজন্তু নিয়ে লেখালিখি করেন। এটা কেন? মদনের জবাব: কারণ জীবজন্তুরা পড়তে পারে না তাই।
সম্পাদক : এ কী, এই পান্ডুলিপি তো আমি তিন বছর আগেই বাতিল করে দিয়েছিলাম। লেখক : জি, দিয়েছিলেন। সম্পাদক : তা হলে আবার নিয়ে এসেছেন যে! লেখক : ভাবলাম, তিন বছরে আপনার বুদ্ধিশুদ্ধির কিছুটা উন্নতিও তো ঘটে থাকতে পারে।
কবি বহুক্ষণ ধরে একঘেয়ে বিদ্রোহের কবিতা পড়ে যাচ্ছেন। সম্পাদক বিরক্ত, মুখে কিছু বলতেও বাধছে। কবিতা পাঠ শেষ করে কবি বিনীতভাবে বললেন, কী মনে হচ্ছে আপনার? কবিতাগুলোতে কি আরো আগুন ঢোকাব? সম্পাদক বললেন, আমি ভাবছি কবিতাগুলো কখন আগুনে ঢোকাবে।
ভক্ত: আপনার আত্মজীবনীটা পড়ে খুব ভালো লাগল। লেখক: ধন্যবাদ। ভক্ত: এ রকম আরও কয়েকটা লিখুন না।
হোজ্জা একটা স্টল খুলে ওখানে নোটিশ টাঙিয়ে দিলেন। ‘যেকোনো বিষয়ে দুই প্রশ্নের জবাবের বিনিময়ে পাঁচ পাউন্ড।’ একজন পথচারী হন্তদন্ত হয়ে তাঁর কাছে এসে টাকাটা হাতে দিয়ে বলল, ‘দুটো প্রশ্নের জন্য পাঁচ পাউন্ড, একটু বেশি নয় কি?’ ‘হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন’, হোজ্জা বললেন, ‘এর...
নিজের দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গাড়িটার পাশে বসে বিলাপ করে কাঁদছিল সর্দারজি, ‘আমার মুরগিটার কী হলো গো! আমার সুন্দর লাল মুরগি!’ এক পথচারী দেখে থমকে গেলেন। বললেন, ‘সে কী সর্দারজি! আপনার এত দামি গাড়ির এই হাল হলো কী করে?’ ‘আর বলবেন না, গাড়িটা...
বল্টুর মেয়ে বল্টুকে জিজ্ঞাসা করল– বাবা আমরা যে কাগজে পড়ি গো পুজা, গো মাতা, গো হত্যা, এই ‘গো’ মানে কি? বল্টু : গো মানে গরু। তখনই রান্না ঘর থেকে ডাক এল–ও’গো’ শুনছো?
ছুটি কাটাতে হ্রদের ধারে বেড়াতে গেছেন সরদারজি। হ্রদের টলমলে পানি দেখে খুব লোভ হচ্ছিল তাঁর, কিন্তু কুমিরের ভয়ে পানিতে নামতে পারছিলেন না। শেষে স্থানীয় এক লোক নিশ্চয়তা দিলেন, পানিতে কুমির নেই। নিশ্চিন্তে হ্রদে সাঁতার কাটছিলেন সরদারজি। আরামে চোখ বুজে তিনি...
মৌলভী সাহেব একদিন মক্তবে ফারসী পড়াতে পড়াতে প্রশ্ন করলেন, আরবী ফারসীতে সবচেয়ে বড় শব্দ কি, যে যা জান, তোমরা ভেবে চিন্তে সব বল। বারো চোদ্দ অক্ষরের এক একটা শব্দ ছেলেরা অভিধান থেকে টেনে টেনে বার করতে লাগলো। মৌলভী সাহেব টুপি...
মাঝরাতে সরদারজির ফোন এল ডাক্তারের কাছে। সরদারজি: ডাক্তার সাহেব, আমার স্ত্রীর অ্যাপেন্ডিক্সে প্রচণ্ড ব্যথা হচ্ছে। ডাক্তার: উফ্, মাঝরাতে উল্টাপাল্টা কথা বলে বিরক্ত করবেন না। ঘুমান। একটু পর আবার সরদারজির ফোন। সরদারজি: ডাক্তার সাহেব, অ্যাপেন্ডিক্সের ব্যথায় আমার স্ত্রী ঘুমাতে পারছে না। ডাক্তার: আরে বোকা, গত...
একটি মেয়ে হঠাত আবিষ্কার করল তার দুই পায়ের মাঝে চুল গজাচ্ছে। সে তো ভয় পেয়ে গেলো, এবং বিষয়টা তার মা’কে খুলে বলল। তার মা ঠাণ্ডা মাথায় বলল, যেখানে চুল গজিয়েছে সে জায়গাটাকে বান্দর বলে, এবং তোমার বান্দরে চুল গজাচ্ছে এটা নিয়ে...
এক ভদ্রলোক বিদেশ থেকে উন্নত প্রজাতির একটি কুকুর কিনে বাড়িতে আনলেন। কুকুরটির বৈশিষ্ট্য হল যে, সে শুধু তার প্রভু বা মালিকের গায়ের গন্ধ শুঁকেই তার পরিবার বা আত্মীয়স্বজনদের নির্ভুলভাবে চিনে নিতে পারে। তো একদিন ভদ্রলোক কুকুরটিকে নিজের গায়ের গন্ধ শুঁকিয়ে...
আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে ডিনার শুরু হবার আগে বাবা বললেন, বেটা বিট্টু খাওয়া শুরু করার আগে প্রার্থনা করতে হয়, জানো না! প্রার্থনা তো আমি জানি না বাবা! বেটা প্রার্থনা হলো তোমার চারদিকে যারা আছেন তাদের ভালোর জন্যে ভগবানকে বলা। বিট্টু তখন বলল, হে ঠাকুর!...
একদিন বাদশা হোজ্জাকে বললেন, ‘হোজ্জা, কাল থেকে আমি আর আয়নায় নিজের চেহারা দেখব না। আমার চেহারা যে এত বিচ্ছিরি, তা এত দিনে জানলাম।’ জবাবে হোজ্জা বললেন, ‘হুজুর, মাফ করবেন, আয়নায় নিজেকে দেখে বলছেন আপনি দেখতে বিচ্ছিরি। কিন্তু এই এত দিন...
ছোটবোনঃ দাদা, মা জিজ্ঞাসা করছে তুই কটা মাছ ধরেছিস, তা বলতে। বড়ভাইঃ মাকে গিয়ে বল, পরের মাছটা ধরতে পারলে একটা হবে।
বড় ভাই ছোট ভাইকে গান শোনাচ্ছে ­ বড় ভাইঃ আমার গান তোর কেমন লাগল ? ছোট ভাইঃ তোমার আসলে টিভিতে চান্স পাওয়া উচিত । বড় ভাইঃ আমি কি সত্যিই এত ভাল গান করি ? ছোট ভাইঃ না, মানে টিভিতে...

চাওয়া

তান তার দিদি সিতানকে বলছে, ‘দিদি, তুই সব সময় বাবার কাছে নিজের জন্য জিনিস চাস। আমার জন্য কিছুই চাস না।' সিতান: ওমা! কই, চাই তো! তান: কী চাস? সিতান: তোর খুব হ্যান্ডসাম আর বড়লোক একজন জামাইবাবু হোক!
অন্যদের বোঝানো বড় বোন : আচ্ছা, আমি যখন গান করি তখন তুই বারান্দায় গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকিস কেন? ছোট বোন : আমি যে গান গাইছি না সেটা অন্যদের বোঝানোর জন্য।
image_pdfimage_print

সর্বাধিক পঠিত

Translate »
error: Content is protected !!