অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপরিকল্পিত ডায়েট, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই সমস্যা বংশগত। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় সময় মতো উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিতে পারলে তা কোলন ক্যান্সারের আশঙ্কা বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্যের ফলে শরীর থেকে মল প্রতিদিন স্বাভাবিক ভাবে নির্গত হতে পারে না। পেট ভরে কিছু খাওয়ার ক্ষেত্রেও সব সময় যেন একটা ভয় তাড়া করে বেড়ায়। আসুন এ বার জেনে নেওয়া যাক কোন কোন কারণে বেড়ে যেতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা…

কোষ্ঠকাঠিন্যের ৮টি প্রধান কারণ:

১) দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল না খাওয়া।

২) ফাইবার বা আঁশ জাতিয় খাবার, শাকসবজি বা ফলমূল কম খাওয়ার অভ্যাস,

৩) দুগ্ধজাত খাবার যেমন, পনির, ছানা ইত্যাদি অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে,

৪) হাঁটা-চলা, শরীরচর্চা বা কায়িক পরিশ্রম একেবারেই না করলে,

৫) কোনও অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন বিছানায় শুয়ে থাকলে,

৬) অত্যাধিক দুশ্চিন্তা বা অবসাদের ফলে,

৭) অন্ত্রনালীতে ক্যান্সার হলে,

৮) ডায়াবেটিস হলে।

এ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলেও কখনও সখনও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন, ব্যথার ওষুধ, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ, খিঁচুনির ওষুধ সেবনের ফলেও এই সমস্যা শরীরে বাসা বাঁধতে পারে।

যে সব ওষুধের মধ্যে আয়রন, ক্যালসিয়াম ও অ্যালুমিনিয়ামজাতীয় খনিজ পদার্থ থাকে তা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। স্নায়ু বা হরমোনের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার জন্যও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। এ ছাড়াও দীর্ঘমেয়াদি কিডনির সমস্যা বা থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বেশ কয়েকটি ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলির সাহায্যে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় দীর্ঘস্থায়ী উপকার মেলে। যেমন, মধু, পাতিলেবুর রস, আঙ্গুরের রস, পালং শাক আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধি করার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করতে সাহায্য করে।

 

 

 

 

 

জি নিউজ

প্রতিবেদনটি জনস্বার্থে প্রকাশ করা হলো

image_pdfimage_print